এত দিন বুঝতেই পারতেন না। সময় যেন ঝড়ের গতিতে চলে যেত। রশ্মিকা মন্দানার জীবনটা ছিল এমনই। এক ছবি শেষ হওয়ার আগেই আর এক ছবির প্রস্তুতি শুরু, তার মধ্যে নাচ, অ্যাকশন, শারীরচর্চা— কাজের গতি কমার যেন কোনও প্রশ্নই ছিল না। এ বার সেই গতিতেই খানিকটা ছেদ পড়েছে। ‘মাইসা’-র শুটিংয়ে নাচের একটি দৃশ্য করতে গিয়ে নিতম্বের পেশিতে চোট পেয়েছেন। আপাতত তাই শুটিং নয়, বিশ্রামই তাঁর রুটিন।
চোটটা যে হালকা নয়, তা রশ্মিকার নিজের কথাতেই স্পষ্ট। নিতম্ব থেকে পায়ের সঙ্গে যুক্ত একাধিক পেশির মধ্যে একটি জায়গা থেকে সরে গিয়েছে। সেটি ফের নিজের স্থানে ফিরতে সময় দরকার। ফলে কিছু দিনের জন্য স্বাভাবিক দৌড়ঝাঁপ, শারীরচর্চা, এমনকি পা তুলে চলাফেরার মতো কাজও তাঁর কাছে সমস্যার হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শে বিশ্রামেই রয়েছেন অভিনেত্রী।
তবে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন প্রথম বার হননি রশ্মিকা। এর আগেও শরীর তাঁকে থামার ইঙ্গিত দিয়েছিল। ২০২৫ সালের শুরুতে জিমে চোট পেয়েছিলেন তিনি। সেই চোটের জেরে পায়ে একাধিক সমস্যা তৈরি হয়েছিল এবং কয়েকটি ছবির কাজও সাময়িক ভাবে থমকে গিয়েছিল।
সেই ঘটনার পর খুব বেশি দিন যায়নি। ফের শুটিং, ফের ব্যস্ততা। আর এ বার পর পর চোটের কথা নিজেই জানালেন অভিনেত্রী। তাঁর উপলব্ধিটা তাই বেশ তাৎপর্যপূর্ণ— নিজের শরীরকে এত দিন যেন তিনি যন্ত্রের মতো ব্যবহার করেছেন।
‘মাইসা’ ছবিও যে সাধারণ নয়, সেটাও বোঝা যায় রশ্মিকার কথায়। নাচের দৃশ্যের পাশাপাশি ছবিটিতে শারীরিক পরিশ্রমের জায়গা যথেষ্ট। ফলে আগের চোট সামলে ফের একই গতিতে কাজে ফেরার পর শরীর এ বার হয়তো সত্যিই আর সায় দেয়নি।
মজার বিষয়, এই বাধ্যতামূলক বিশ্রামই রশ্মিকার জীবনযাপনের দিকে নতুন করে তাকানোর সুযোগ এনে দিয়েছে। এখন তাঁর দিন কাটছে বাড়িতে। ঘুম, বই পড়া, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, পোষ্যের সঙ্গে থাকা— এই নিয়েই চলছে দিন। ব্যস্ততার কারণে আগে সময় করে দেখা হয়নি, তাই এখন বিয়ের ছবি-ভিডিয়োও বসে দেখছেন তিনি।
নায়িকা জানিয়েছেন, এত দিন তিনি ভাবতেন, সব সময় ব্যস্ত থাকা, কাজের মধ্যে ছুটে চলাই স্বাভাবিক। এখন উল্টো ছবি। কয়েক সপ্তাহের এই বিশ্রাম তাঁকে বুঝিয়েছে, সব সময় দৌড়ে চলাটা স্বাভাবিক নয়।
চোট তাই রশ্মিকার কাছে শুধু দুর্ভোগ হয়ে আসেনি। খানিকটা বিরতিও এনে দিয়েছে। যে অভিনেত্রীকে এত দিন একের পর এক ছবির সেটে দেখা গিয়েছে, তাঁকে এখন দেখা যাচ্ছে নিজের বাড়ির চার দেওয়ালের মধ্যে। রোল-ক্যামেরা, অ্যাকশন আপাতত তাঁর অপেক্ষায়। সেরে ওঠার অপেক্ষায় তিনি।
চোটটা যে হালকা নয়, তা রশ্মিকার নিজের কথাতেই স্পষ্ট। নিতম্ব থেকে পায়ের সঙ্গে যুক্ত একাধিক পেশির মধ্যে একটি জায়গা থেকে সরে গিয়েছে। সেটি ফের নিজের স্থানে ফিরতে সময় দরকার। ফলে কিছু দিনের জন্য স্বাভাবিক দৌড়ঝাঁপ, শারীরচর্চা, এমনকি পা তুলে চলাফেরার মতো কাজও তাঁর কাছে সমস্যার হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শে বিশ্রামেই রয়েছেন অভিনেত্রী।
তবে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন প্রথম বার হননি রশ্মিকা। এর আগেও শরীর তাঁকে থামার ইঙ্গিত দিয়েছিল। ২০২৫ সালের শুরুতে জিমে চোট পেয়েছিলেন তিনি। সেই চোটের জেরে পায়ে একাধিক সমস্যা তৈরি হয়েছিল এবং কয়েকটি ছবির কাজও সাময়িক ভাবে থমকে গিয়েছিল।
সেই ঘটনার পর খুব বেশি দিন যায়নি। ফের শুটিং, ফের ব্যস্ততা। আর এ বার পর পর চোটের কথা নিজেই জানালেন অভিনেত্রী। তাঁর উপলব্ধিটা তাই বেশ তাৎপর্যপূর্ণ— নিজের শরীরকে এত দিন যেন তিনি যন্ত্রের মতো ব্যবহার করেছেন।
‘মাইসা’ ছবিও যে সাধারণ নয়, সেটাও বোঝা যায় রশ্মিকার কথায়। নাচের দৃশ্যের পাশাপাশি ছবিটিতে শারীরিক পরিশ্রমের জায়গা যথেষ্ট। ফলে আগের চোট সামলে ফের একই গতিতে কাজে ফেরার পর শরীর এ বার হয়তো সত্যিই আর সায় দেয়নি।
মজার বিষয়, এই বাধ্যতামূলক বিশ্রামই রশ্মিকার জীবনযাপনের দিকে নতুন করে তাকানোর সুযোগ এনে দিয়েছে। এখন তাঁর দিন কাটছে বাড়িতে। ঘুম, বই পড়া, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, পোষ্যের সঙ্গে থাকা— এই নিয়েই চলছে দিন। ব্যস্ততার কারণে আগে সময় করে দেখা হয়নি, তাই এখন বিয়ের ছবি-ভিডিয়োও বসে দেখছেন তিনি।
নায়িকা জানিয়েছেন, এত দিন তিনি ভাবতেন, সব সময় ব্যস্ত থাকা, কাজের মধ্যে ছুটে চলাই স্বাভাবিক। এখন উল্টো ছবি। কয়েক সপ্তাহের এই বিশ্রাম তাঁকে বুঝিয়েছে, সব সময় দৌড়ে চলাটা স্বাভাবিক নয়।
চোট তাই রশ্মিকার কাছে শুধু দুর্ভোগ হয়ে আসেনি। খানিকটা বিরতিও এনে দিয়েছে। যে অভিনেত্রীকে এত দিন একের পর এক ছবির সেটে দেখা গিয়েছে, তাঁকে এখন দেখা যাচ্ছে নিজের বাড়ির চার দেওয়ালের মধ্যে। রোল-ক্যামেরা, অ্যাকশন আপাতত তাঁর অপেক্ষায়। সেরে ওঠার অপেক্ষায় তিনি।
তামান্না হাবিব নিশু